চালু হয়নি ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপ ১০ দিন পর ধীরগতিতে ফিরলো মোবাইল ইন্টারনেট
টানা ১০ দিন পর রবিবার বিকেল তিনটার কিছুটা আগেই ধীরগতিতে মোবাইল ফোনেও ৪জি নেটওয়ার্কে ইন্টারনেট সংযোগ ফিরে পেলেন ১৩ কোটির বেশি গ্রাহক। তবে প্রথম ঘণ্টায় প্রতিশ্রুত তিন দিনের জন্য ফ্রি ৫জিবি ডেটার কোনো বার্তা আসেনি আপরাটেরদের কাছ থেকে।
অবশ্য যথারীতি ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ, টিকটক, এক্স (সাবেক টুইটার) বন্ধ রয়েছে মোবাইল ডেটাতেও। এ ছাড়া ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট–সেবায় ইউটিউব দেখা গেলেও মোবাইল ইন্টারনেট–সেবায় ইউটিউব দেখা যাবে না।
মোবাইল ইন্টারনেটে সরাসরি সোশ্যাল মিডিয়ায় যুক্ত হতে না পাড়লেও বিকল্প উপায়ে ঠিকই এই খবর একে অন্যের সঙ্গে ভাগাভাগি করেছেন দেশের নেটিজেনরা। অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে স্বস্তি প্রকাশ করে জানিয়েছেন, ”যাক, অবশেষে মোবাইল ইন্টারনেট পাওয়া গেলো। কিন্তু কাজই তো করছে না। এত স্লো নেট দিয়ে কী হবে?“
এদিকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্মেদ পলক এসব অ্যাপ বন্ধ রাখার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট করে কিছু জানাননি। এর আগে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি ভবনে এক ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী বিষয়টি জানান, তিন দিনের জন্য পাঁচ জিবি করে বোনাস পাবেন গ্রাহকেরা। ফোর-জি নেটওয়ার্কে কোন কোন অ্যাপ থাকবে, জানতে চাওয়া হলে প্রতিমন্ত্রী নির্দিষ্ট করে বলেননি।
প্রসঙ্গত, গত ২৩ জুলাই থেকে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট–সেবা পাওয়া গেলেও সেখানে ফেসবুক, টিকটক বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি হোয়াটসঅ্যাপেও বার্তা আদান-প্রদানে অসুবিধা দেখা যাচ্ছে। তবে ইউটিউব চলছে। এর আগে, কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে গত ১৬ জুলাই থেকেই শুরু হয় মোবাইল ইন্টারনেটের ধীরগতি। এরপর সহিংসতা ও গুজব প্রতিরোধ করতে সরকারের মৌখিক নির্দেশে ১৭ জুলাই (বৃহস্পতিবার) থেকে বন্ধ হয়ে যায় মোবাইল অপারেটর কোম্পানির সিমে থ্রি-জি ও ফোর-জি পরিসেবা। ফলে আজ প্রায় ১১ দিন ধরে গ্রাহকরা মোবাইল ডাটা ব্যবহার করে অনলাইনে কোনো কাজ করতে পারছেন না।
এর আগে ইন্টারনেট বন্ধ করার যৌক্তিকতা এবং কারণ উদঘাটনে প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক টেলিযোগ ইউনিয়নের সহায়তায় দেশের প্রযুক্তি ও টেলিযোগ খাতের বিশেষজ্ঞ ও স্টেক হোল্ডার এবং গণমাধ্যম ও গ্রাহকদের প্রতিনিধি সমন্বয়ে একটি তদন্ত কমিশন গঠন করার দাবি জানায় বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশন।







